ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি: প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও পুলিশি তৎপরতায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হারিয়ে যাওয়া ১২৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) সাইবার ক্রাইম ইউনিট। উদ্ধার হওয়া এসব ফোন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিয়েছেন আরএমপি পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আরএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক হস্তান্তর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফোনগুলো প্রকৃত মালিকদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন পর প্রিয় ও প্রয়োজনীয় ফোনটি ফিরে পেয়ে আরএমপি পুলিশ ও সাইবার ক্রাইম ইউনিটের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নাগরিকরা।
ফোন ফেরত পেয়ে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নিউ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এস. এম জার্জিস কাদির জানান, আশা ছেড়ে দেওয়ার পরও আরএমপির আন্তরিকতায় ফোনটি ফিরে পেয়ে তিনি অভিভূত। একই ধরনের আনন্দ প্রকাশ করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী স্বর্ণা চক্রবর্তী। জিডির সূত্র ধরে প্রযুক্তিগত সহায়তায় হারিয়ে যাওয়া ফোন উদ্ধারে পুলিশের এই জনবান্ধব উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরএমপি পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির বলেন, “বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং এটি ব্যক্তিগত তথ্য, নথিপত্র ও আর্থিক লেনদেনের সংবেদনশীল আধার। তাই একটি ফোন হারালে নাগরিকরা মানসিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।”
আইনি প্রক্রিয়ার সুফল তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, অনেকেই মোবাইল হারানোর পর জিডি করতে চান না। তবে সাধারণ ডায়েরির ওপর ভিত্তি করেই সাইবার ক্রাইম ইউনিট আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ চালিয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে ফোন উদ্ধারে দীর্ঘ সময় ও নানা কারিগরি চ্যালেঞ্জ থাকলেও আরএমপি পেশাদারিত্বের সঙ্গে নাগরিকদের হারানো আমানত ফিরিয়ে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ভবিষ্যতে মোবাইল ফোন ব্যবহারে সচেতন থাকার পাশাপাশি প্রতিটি ফোনের আইএমইআই (IMEI) নম্বর ও প্রয়োজনীয় তথ্য নিরাপদে সংরক্ষণ করার জন্য সাধারণ নাগরিকদের পরামর্শ দেন আরএমপি প্রধান।
উক্ত হস্তান্তর অনুষ্ঠানে আরএমপির অতিরিক্ত ডিআইজি (সদর) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, পিপিএম; অতিরিক্ত ডিআইজি (সিটিএসবি) মো: মনিরুল ইসলাম; উপ-পুলিশ কমিশনার (মতিহার) মাঈনুল ইসলাম, পিপিএম (বার); উপ-পুলিশ কমিশনার (শাহমখদুম) দীন মোহাম্মদ এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (ইঅ্যান্ডডি) মো: আবুল কালাম সাহিদসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
Reporter Name 


















