স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের মাঝখানে ইটের খোয়ার স্তূপ ফেলে রাখায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী ও যানবাহন চালকরা। দীর্ঘদিন ধরে খোয়া সরানো না হওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে দেখা যায়,সোনাতলা পৌর শহরের তিনমাথা মোড় থেকে রেলওয়ে স্টেশনের দিকে যাওয়া সড়কের কেন্দ্রীয় মন্দির সংলগ্ন অংশে রাস্তার ওপর ইট ভেঙে বিপুল পরিমাণ খোয়া স্তূপ করে রাখা হয়েছে। এতে সড়কের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে বিদ্যুৎ না থাকলে খোয়ার স্তূপটি দূর থেকে সহজে দেখা যায় না।
ফলে ভ্যান সহ ছোট যানবাহন চলাচলের সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।স্থানীয় ভ্যানচালক আলামিন জানান,গত ২৩শে সেপ্টেম্বর রাতে অসাবধানতাবশত ভ্যান চালানোর সময় হঠাৎ রাস্তার ওপর থাকা খোয়ার স্তূপ দেখতে পান। সে সময় বিদ্যুৎও ছিল না। এর মধ্যে স্টেশন থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী ভ্যানের সঙ্গে তার ভ্যানের জোরে ধাক্কা লাগে। এতে তিনি কোমরে আঘাত পান বলে জানান।
এ ছাড়া গত ২৬শে সেপ্টেম্বর শনিবার প্রাইভেট পড়তে আসা এক ছাত্রী খোয়ার স্তূপের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় একটি ভ্যানের এক্সেলের সঙ্গে তাঁর হাঁটুর মাংসপেশিতে আঘাত লাগে। এতে তিনি আহত হন বলে স্থানীয়রা জানান।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,প্রায় ১৫ দিন আগে মেশিনের সাহায্যে ইট ভেঙে এসব খোয়া তৈরি করা হয়েছে। তাঁদের ধারণা,খোয়াগুলো হয়তো কেন্দ্রীয় মন্দির কমিটির। তবে মন্দির কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, রাস্তার ওপর রাখা এসব ইটের খোয়া তাদের নয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার ওপর খোয়ার স্তূপ পড়ে থাকলেও তা সরিয়ে নেওয়ার কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। ফলে প্রতিদিনই ভ্যান, অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের সঙ্গে পথচারীদের ধাক্কা লাগার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
রাস্তার ওপর খোয়া রাখার সঙ্গে কারা জড়িত,সে বিষয়ে স্থানীয় ভাবে খোঁজ করা হলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি সোনাতলা পৌরসভার প্রশাসক জুয়েল মিয়াকে জানানো হলে তিনি বলেন,এ বিষয়ে কেউ আমাকে অভিযোগ করেনি। আমি খোঁজ নিয়ে রাস্তার ওপর থাকা ইটের খোয়া সরানোর ব্যবস্থা করবো।স্থানীয়দের দাবি, বড় কোনো দুর্ঘটনা বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটার আগেই দ্রুত রাস্তার ওপর থেকে খোয়ার স্তূপ সরিয়ে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করা হোক।
Reporter Name 

















