স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ার সোনাতলায় ব্রি-১০৩ জাতের রোপা আমন ধান আগাম কাটতে শুরু করেছেন কৃষক। উন্নত মানের ধান ও খড় বিক্রি করে বাড়তি লাভের আশায় খুশি তাঁরা। কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করা এ জাতের ধান আগাম ঘরে তুলতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন কৃষক।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বেলা ১১টায় উপজেলার বোচারপুকুর এলাকায় তিন বিঘা জমিতে উৎপাদিত ব্রি-১০৩ জাতের ধান কাটার উদ্বোধন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন। এ সময় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, স্থানীয় কৃষক ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, রোপা আমনের উৎপাদন বাড়ানো এবং কৃষকদের উন্নত জাতের ধান চাষে উৎসাহিত করতে সরকারি সহায়তায় বিনামূল্যে বীজ, সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ধান রোপণ থেকে শুরু করে পরিচর্যা পর্যন্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন, ব্রি-১০৩ একটি আগাম ও উন্নত জাতের আমন ধান। এ জাতের চাল সুস্বাদু। উপযুক্ত পরিচর্যা ও অনুকূল পরিবেশে প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ২৫ থেকে ২৬ মণ ধান উৎপাদন সম্ভব। আগাম ধান কাটার ফলে কৃষকেরা বাজারে ভালো দাম পাওয়ার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি পরবর্তী ফসল হিসেবে সরিষা চাষের জন্য সময়মতো জমি প্রস্তুত করতে পারবেন। এতে উৎপাদন ব্যয় কমার পাশাপাশি লাভের সম্ভাবনাও বাড়বে।
ধানচাষি মো. সোহরাব হোসেন জানান, ধান রোপণ থেকে শুরু করে পরিচর্যা পর্যন্ত উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা তাঁকে নিয়মিত পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়েছেন। তাঁরা জমিতে এসে ধানের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছেন। আগাম ধান কাটতে পেরে তিনি সন্তুষ্ট।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ধানের দাম তুলনামূলক ভালো। পাশাপাশি গোখাদ্য হিসেবে ধানের খড়েরও চাহিদা রয়েছে। প্রতি আঁটি খড় পাঁচ টাকা দরে বিক্রি করতে পারলে তা থেকেও বাড়তি আয় হবে। ধান ও খড় বিক্রি মিলিয়ে এবার ভালো লাভের আশা করছেন তিনি।
ধান কর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি বিভাগের অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন অর রশিদ, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোছা. সাবিহা আক্তার সুরভী, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নয়ন চন্দ্র শীল ও মোমিনুল ইসলাম, সাবেক কাউন্সিলর জাফর ইকবাল চপল, পরিসংখ্যান সহকারী রায়হান বিন আব্দুল কাফি, চেইনম্যান এবং সাংবাদিক মোশাররফ হোসেন ও বিকাশ স্বর্ণকারসহ অনেকে।
Reporter Name 

















