০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

সোনাতলায় ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে মারা গেলেন মা, পাশাপাশি দাফন

  • Reporter Name
  • ০৩:০৮:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩৬৩

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় ছেলের মৃত্যুর খবর শোনার প্রায় এক ঘণ্টা পর মারা গেছেন মা। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের ধর্মকুল গ্রামে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে মা ও ছেলেকে পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে।

মারা যাওয়া মা তারা বেগমের বয়স ৬২ বছর। তাঁর ছেলে তারাজুল ইসলামের বয়স ছিল ৪৫ বছর।

পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা যায়, জীবিকার তাগিদে মঙ্গলবার সকালে বগুড়া শহরে রিকশা চালাতে যান তারাজুল ইসলাম। বিকেলে বুকে ব্যথা অনুভব করার পর কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। ছেলের মৃত্যুর খবর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোকের মাতম শুরু হয়।

ছেলের মৃত্যুসংবাদ শোনার পর থেকেই মা তারা বেগম মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরে গ্রামের মসজিদের মাইকে ছেলের মৃত্যুর খবর প্রচার করা হলে তিনি আরও অস্থির হয়ে পড়েন। এর প্রায় এক ঘণ্টা পর তাঁরও মৃত্যু হয়।

অল্প সময়ের ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যুতে ধর্মকুল গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীর মধ্যে নেমে আসে গভীর শোক।

বালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল বলেন, ছেলের মৃত্যুর খবর শোনার পর মা মারা গেছেন। ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। পরে মা ও ছেলেকে তাঁদের পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

সোনাতলায় বাঙালি নদীতে প্রতিমা বিসর্জন, বিদায়ের সুরে ভারী ভক্তদের মন

সোনাতলায় ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে মারা গেলেন মা, পাশাপাশি দাফন

০৩:০৮:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় ছেলের মৃত্যুর খবর শোনার প্রায় এক ঘণ্টা পর মারা গেছেন মা। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের ধর্মকুল গ্রামে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে মা ও ছেলেকে পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে।

মারা যাওয়া মা তারা বেগমের বয়স ৬২ বছর। তাঁর ছেলে তারাজুল ইসলামের বয়স ছিল ৪৫ বছর।

পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা যায়, জীবিকার তাগিদে মঙ্গলবার সকালে বগুড়া শহরে রিকশা চালাতে যান তারাজুল ইসলাম। বিকেলে বুকে ব্যথা অনুভব করার পর কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। ছেলের মৃত্যুর খবর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোকের মাতম শুরু হয়।

ছেলের মৃত্যুসংবাদ শোনার পর থেকেই মা তারা বেগম মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরে গ্রামের মসজিদের মাইকে ছেলের মৃত্যুর খবর প্রচার করা হলে তিনি আরও অস্থির হয়ে পড়েন। এর প্রায় এক ঘণ্টা পর তাঁরও মৃত্যু হয়।

অল্প সময়ের ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যুতে ধর্মকুল গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীর মধ্যে নেমে আসে গভীর শোক।

বালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল বলেন, ছেলের মৃত্যুর খবর শোনার পর মা মারা গেছেন। ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। পরে মা ও ছেলেকে তাঁদের পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে।