স্টাফ রিপোর্টার, সাঘাটা (গাইবান্ধা): বাবার মৃত্যুর খবরে শেষবারের মতো মুখ দেখা ও জানাজায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কারাবন্দি সাবেক ছাত্রদল নেতা রবিউল ইসলাম। আদালতের অনুমতিতে চার ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে তিনি বাবার জানাজা ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন। পরে পুলিশি পাহারায় তাঁকে আবারও গাইবান্ধা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান রবিউল ইসলামের বাবা শাহ আলম। বাবার জানাজায় অংশ নেওয়ার সুযোগ চেয়ে রবিউলের পক্ষে গাইবান্ধা আদালতে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাঁকে চার ঘণ্টার জন্য মুক্তি দেওয়ার অনুমতি দেন।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের জন্য কারাগার থেকে বের হয়ে বাবার জানাজায় অংশ নেন রবিউল। এ সময় পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন। জানাজা ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে জেলা পুলিশ ও সাঘাটা থানা পুলিশের নিরাপত্তায় তাঁকে পুনরায় গাইবান্ধা জেলা কারাগারে নেওয়া হয়।
যে হত্যা মামলায় কারাবন্দি রবিউল
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২১ জুন সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ বারী এবং জামায়াতে ইসলামীর যুব বিভাগের কর্মী সালাউদ্দিন। ওই দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুল্লাহ বারীর মৃত্যু হয়। পরে ৪৮ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ৮ আগস্ট ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান সালাউদ্দিন।
এ ঘটনায় সাইফুল্লাহ বারীর বাবা হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে ২২ জুন সাঘাটা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১৪ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলায় রবিউল ইসলাম চার নম্বর আসামি।
বাবার শেষ বিদায়ে অংশ নেওয়ার জন্য চার ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পেলেও নির্ধারিত সময় শেষে আবারও কারাগারে ফিরতে হয়েছে সাবেক এই ছাত্রদল নেতাকে।
Reporter Name 


















