০২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

সোনাতলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগে থানায় মামলা

  • Reporter Name
  • ০৩:১৮:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫৫১

বিকাশ স্বর্ণকার, সোনাতলা (বগুড়া): বগুড়ার সোনাতলায় পূর্বশত্রুতার জেরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে মারধর, দেড় লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া ও মোবাইল ফোন ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।

আহত মো. মোনারুল মন্ডল (৪৩) সোনাতলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি উপজেলার গড়চৈতন্যপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর দায়ের করা এজাহারটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করেছে পুলিশ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সোনাতলা পৌরসভার গড়চৈতন্যপুর গ্রামের দুর্গামন্দিরের সামনে পাকা সড়কে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলা দলিল রেজিস্ট্রি অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে সেখানে পৌঁছালে অভিযুক্তরা তাঁর পথরোধ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তদের হাতে হকিস্টিক, এসএস পাইপ, লোহার রড ও কাঠের বাটামসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ছিল। তাঁরা মোনারুলকে মারধর করেন। এতে তাঁর মাথা, বুক, নাক, পিঠ, পাঁজর, কোমর ও হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

মোনারুলের দাবি, মারধরের একপর্যায়ে তাঁর পকেটে থাকা নগদ দেড় লাখ টাকা ও একটি বাটন মোবাইল ফোন নিয়ে যান অভিযুক্তরা। এ ছাড়া তাঁর ব্যবহৃত একটি স্মার্টফোন কেড়ে নিয়ে সড়কে আছড়ে ভেঙে ফেলা হয়। এতে প্রায় ১০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহার অনুযায়ী, তাঁর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাঁকে ভবিষ্যতে হত্যা ও জখমের হুমকি দিয়ে চলে যান। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে ১৮ থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

সোনাতলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটানোর মামলার আসামী আপেল গ্রেপ্তার

সোনাতলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগে থানায় মামলা

০৩:১৮:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

বিকাশ স্বর্ণকার, সোনাতলা (বগুড়া): বগুড়ার সোনাতলায় পূর্বশত্রুতার জেরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে মারধর, দেড় লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া ও মোবাইল ফোন ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।

আহত মো. মোনারুল মন্ডল (৪৩) সোনাতলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি উপজেলার গড়চৈতন্যপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর দায়ের করা এজাহারটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করেছে পুলিশ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সোনাতলা পৌরসভার গড়চৈতন্যপুর গ্রামের দুর্গামন্দিরের সামনে পাকা সড়কে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলা দলিল রেজিস্ট্রি অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে সেখানে পৌঁছালে অভিযুক্তরা তাঁর পথরোধ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তদের হাতে হকিস্টিক, এসএস পাইপ, লোহার রড ও কাঠের বাটামসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ছিল। তাঁরা মোনারুলকে মারধর করেন। এতে তাঁর মাথা, বুক, নাক, পিঠ, পাঁজর, কোমর ও হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

মোনারুলের দাবি, মারধরের একপর্যায়ে তাঁর পকেটে থাকা নগদ দেড় লাখ টাকা ও একটি বাটন মোবাইল ফোন নিয়ে যান অভিযুক্তরা। এ ছাড়া তাঁর ব্যবহৃত একটি স্মার্টফোন কেড়ে নিয়ে সড়কে আছড়ে ভেঙে ফেলা হয়। এতে প্রায় ১০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহার অনুযায়ী, তাঁর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাঁকে ভবিষ্যতে হত্যা ও জখমের হুমকি দিয়ে চলে যান। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে ১৮ থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।