১২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলা প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকার ক্লাসরুমে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগ

  • Reporter Name
  • ০৫:৪৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৩
  • ১৫০১

আব্দুর রাজ্জাক সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার সোনাতলায় সরলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামসুজ্জোহা জিহাদ ও সহকারী শিক্ষিকা ববিতা ক্লাসরুমে অনৈতিক কাজে লিপ্তের অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তেকানী চুকাই নগর ইউনিয়নের সরলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিফিন আওয়ারের পর শ্রেণী কক্ষে। এঘটনায় স্থানীয় গ্রামবাসী ও অভিভাবকরা দুই শিক্ষককে অফিস রুমে অবরুদ্ধ করে রাখে। এসময় স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মহিদুল ইসলাম খন্দকার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। উভয়ের সাথে কথা বলে ববিতা নামে শিক্ষিকাকে বের করে নিয়ে যায়। এবং প্রতিষ্ঠানের সভাপতিকে ফোন করে আজকের ঘটনার রেজিলেশন করার নির্দেশ দেন। সহকারী শিক্ষা অফিসার এর সাথে ফোন যোগাযোগ করলে তিনি এ বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মাসুদ বলেন, ওই দুই শিক্ষককে এর আগেও একই কারনে শালিসের মাধ্যমে সমাধান করে দেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে আবারো একই ঘটনা ঘটেছে এদের দ্বারা জাতি কি আশা করতে পারে। এদের শাস্তি হওয়া উচিৎ। এ বিষয়ে উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) নির্বাহী অফিসার কুরশিয়া আকতার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি দেখার নির্দেশ দেন।

 

 

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলা প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকার ক্লাসরুমে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগ

০৫:৪৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৩

আব্দুর রাজ্জাক সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার সোনাতলায় সরলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামসুজ্জোহা জিহাদ ও সহকারী শিক্ষিকা ববিতা ক্লাসরুমে অনৈতিক কাজে লিপ্তের অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তেকানী চুকাই নগর ইউনিয়নের সরলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিফিন আওয়ারের পর শ্রেণী কক্ষে। এঘটনায় স্থানীয় গ্রামবাসী ও অভিভাবকরা দুই শিক্ষককে অফিস রুমে অবরুদ্ধ করে রাখে। এসময় স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মহিদুল ইসলাম খন্দকার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। উভয়ের সাথে কথা বলে ববিতা নামে শিক্ষিকাকে বের করে নিয়ে যায়। এবং প্রতিষ্ঠানের সভাপতিকে ফোন করে আজকের ঘটনার রেজিলেশন করার নির্দেশ দেন। সহকারী শিক্ষা অফিসার এর সাথে ফোন যোগাযোগ করলে তিনি এ বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মাসুদ বলেন, ওই দুই শিক্ষককে এর আগেও একই কারনে শালিসের মাধ্যমে সমাধান করে দেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে আবারো একই ঘটনা ঘটেছে এদের দ্বারা জাতি কি আশা করতে পারে। এদের শাস্তি হওয়া উচিৎ। এ বিষয়ে উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) নির্বাহী অফিসার কুরশিয়া আকতার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি দেখার নির্দেশ দেন।