০৬:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় দোকানে রাখা ৩৮ বস্তা সরকারী চালসহ ২ জন আটক

  • Reporter Name
  • ০১:২৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ৫৬১

আব্দুর রাজ্জাক, সোনাতলাঃ বগুড়ার সোনাতলা সদর ইউনিয়নের ভিডব্লিউবি কর্মসূচির আওতায় বিতরণ কৃত ৩৮ বস্তা চাল দোকান থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। চাল গুলো কার্ড ধাারীরা বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে তাদের কাছে বিক্রি করে দেয়। পরে ব্যাপারীরা চাল নিয়ে নিজেদের হেফাজতে দোকান ঘড়ে মহাজনের কাছে বিক্রয়ের জন্য রেখে দেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দোকান থেকে ৩৮বস্তা চালসহ এর সাথে জরিত দুজনকে আটক করেন। ঘটনাটি ঘটেছে ২৫ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে কাবিলপুর গ্রামে।
আটককৃতরা হলেন কাবিলপুর গ্রামের মৃত কাজেম সরকারের ছেলে মোঃ আব্দুর রহমান(৬০), একই এলাকার আলম রহমানের ছেলে এনাম হোসেন (২৪)।
উল্লেখ্য হতদরিদ্র পরিবারগুলো অধিকাংশই চালের বস্তা বাড়িতে না নিয়ে ৪৫০ টাকায় ৩০ কেজি ওজনের সরকারী বস্তায় চাল নেওয়ার পর, ১০৫০ টাকায় পথের মধ্য বিক্রি করে দেন তারা। বিক্রির কথা জানতে চাইলে তারা বলেন এগুলো চাল তো খাওয়া যায় না, সংসারের নানা প্রয়োজনে আমরা চাল গুলো বিক্রি করী, এতে দোষের কি? চাল গুলো চলে যায় মিল মালিকদের কাছে।
মিল মালিকরা পরে তা আবার পুনরায় নতুন বস্তায় তুলে আবারও খাদ্য গুদামে দেন। অতএব, ভিডব্লিউবি কর্মসূচির চাল নিয়ে রয়েছে সাতকাহন অবস্থা।
এব্যাপারে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈকত হাসান বলেন,গতকাল ৩০ কেজি ওজনের ৩৮ বস্তা সরকারী চালসহ ২ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মাললা রুজু করে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলায় দোকানে রাখা ৩৮ বস্তা সরকারী চালসহ ২ জন আটক

০১:২৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

আব্দুর রাজ্জাক, সোনাতলাঃ বগুড়ার সোনাতলা সদর ইউনিয়নের ভিডব্লিউবি কর্মসূচির আওতায় বিতরণ কৃত ৩৮ বস্তা চাল দোকান থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। চাল গুলো কার্ড ধাারীরা বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে তাদের কাছে বিক্রি করে দেয়। পরে ব্যাপারীরা চাল নিয়ে নিজেদের হেফাজতে দোকান ঘড়ে মহাজনের কাছে বিক্রয়ের জন্য রেখে দেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দোকান থেকে ৩৮বস্তা চালসহ এর সাথে জরিত দুজনকে আটক করেন। ঘটনাটি ঘটেছে ২৫ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে কাবিলপুর গ্রামে।
আটককৃতরা হলেন কাবিলপুর গ্রামের মৃত কাজেম সরকারের ছেলে মোঃ আব্দুর রহমান(৬০), একই এলাকার আলম রহমানের ছেলে এনাম হোসেন (২৪)।
উল্লেখ্য হতদরিদ্র পরিবারগুলো অধিকাংশই চালের বস্তা বাড়িতে না নিয়ে ৪৫০ টাকায় ৩০ কেজি ওজনের সরকারী বস্তায় চাল নেওয়ার পর, ১০৫০ টাকায় পথের মধ্য বিক্রি করে দেন তারা। বিক্রির কথা জানতে চাইলে তারা বলেন এগুলো চাল তো খাওয়া যায় না, সংসারের নানা প্রয়োজনে আমরা চাল গুলো বিক্রি করী, এতে দোষের কি? চাল গুলো চলে যায় মিল মালিকদের কাছে।
মিল মালিকরা পরে তা আবার পুনরায় নতুন বস্তায় তুলে আবারও খাদ্য গুদামে দেন। অতএব, ভিডব্লিউবি কর্মসূচির চাল নিয়ে রয়েছে সাতকাহন অবস্থা।
এব্যাপারে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈকত হাসান বলেন,গতকাল ৩০ কেজি ওজনের ৩৮ বস্তা সরকারী চালসহ ২ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মাললা রুজু করে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।