০২:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নতুন করে আর কাউকে ফ্যাসিবাদী হয়ে উঠার সুযোগ দেয়া হবে না -সাবেক এমপি লালু

  • Reporter Name
  • ০৪:৫০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
  • ১৫০

মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ ১৬ই জুন সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া’র উদ্যোগে সোমবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া’র সভাপতি গনেশ দাস এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও দৈনিক বগুড়া’র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক রেজাউল করিম বাদশা, দৈনিক সাতমাথার সম্পাদক ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রিয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন ও দৈনিক করতোয়ার সম্পাদক মোজাম্মেল হক লালু।

সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া’র সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু সাঈদ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ এর পরিচালনায় আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া’র সাবেক সভাপতি মতিউল ইসলাম সাদী, সাবেক সভাপতি ও বিএফইউজে’র নির্বাহী সদস্য মির্জা সেলিম রেজা, সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুর রহীম বগ্রা, সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া’র সাবেক সভাপতি সৈয়দ ফজলে রাব্বী ডলার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমিনুর রশীদ শাইন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এফ শাহজাহান, বগুড়া প্রেসক্লাবের যুগ্ম আহŸায়ক আবুল কালাম আজাদ প্রমূখ।

এর আগে বগুড়া প্রেসক্লাবের আয়োজনে প্রবীন সাংবাদিক মীর সাজ্জাদ আলী সন্তোজ এর সভাপতিত্বে ও প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব সবুর শাহ লোটাস এর পরিচালনায় আরেকটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ও অন্যান্য বক্তা বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান গণহতন্ত্র হত্যার উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালে ৪টি সরকারি পত্রিকা রেখে সারাদেশের সকল সংবাদপত্র বন্ধ করেছিলেন। ফলে রাতারাতি হাজার হাজার সাংবাদিক বেকার হয়ে পড়েন। অসংখ্য সাংবাদিকের জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসেই বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তনের পাশাপাশি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। কিন্তু শেখ মুজিবের কন্যা শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার জন্য গণমাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরেন। অবশেষে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের পতনের মধ্যদিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে সুযোগ এসেছে, সেই সুযোগ কাজে লাগাতে হলে গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।

বক্তারা আরো বলেন, ফ্যাসিবাদের জননী দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো মিডিয়া জগতে সক্রিয়। এসব দোসরদের বিতাড়িত করা না গেলে তারা আবারো সুযোগ পেলে গণতন্ত্রের বুকে ছুরি চালাতে পারে। সুতরাং নতুন করে আর কাউকে ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার সুযোগ দেয়া হবেনা।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নতুন করে আর কাউকে ফ্যাসিবাদী হয়ে উঠার সুযোগ দেয়া হবে না -সাবেক এমপি লালু

০৪:৫০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ ১৬ই জুন সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া’র উদ্যোগে সোমবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া’র সভাপতি গনেশ দাস এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও দৈনিক বগুড়া’র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক রেজাউল করিম বাদশা, দৈনিক সাতমাথার সম্পাদক ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রিয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন ও দৈনিক করতোয়ার সম্পাদক মোজাম্মেল হক লালু।

সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া’র সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু সাঈদ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ এর পরিচালনায় আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া’র সাবেক সভাপতি মতিউল ইসলাম সাদী, সাবেক সভাপতি ও বিএফইউজে’র নির্বাহী সদস্য মির্জা সেলিম রেজা, সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুর রহীম বগ্রা, সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া’র সাবেক সভাপতি সৈয়দ ফজলে রাব্বী ডলার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমিনুর রশীদ শাইন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এফ শাহজাহান, বগুড়া প্রেসক্লাবের যুগ্ম আহŸায়ক আবুল কালাম আজাদ প্রমূখ।

এর আগে বগুড়া প্রেসক্লাবের আয়োজনে প্রবীন সাংবাদিক মীর সাজ্জাদ আলী সন্তোজ এর সভাপতিত্বে ও প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব সবুর শাহ লোটাস এর পরিচালনায় আরেকটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ও অন্যান্য বক্তা বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান গণহতন্ত্র হত্যার উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালে ৪টি সরকারি পত্রিকা রেখে সারাদেশের সকল সংবাদপত্র বন্ধ করেছিলেন। ফলে রাতারাতি হাজার হাজার সাংবাদিক বেকার হয়ে পড়েন। অসংখ্য সাংবাদিকের জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসেই বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তনের পাশাপাশি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। কিন্তু শেখ মুজিবের কন্যা শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার জন্য গণমাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরেন। অবশেষে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের পতনের মধ্যদিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে সুযোগ এসেছে, সেই সুযোগ কাজে লাগাতে হলে গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।

বক্তারা আরো বলেন, ফ্যাসিবাদের জননী দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো মিডিয়া জগতে সক্রিয়। এসব দোসরদের বিতাড়িত করা না গেলে তারা আবারো সুযোগ পেলে গণতন্ত্রের বুকে ছুরি চালাতে পারে। সুতরাং নতুন করে আর কাউকে ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার সুযোগ দেয়া হবেনা।