স্টাফ রিপোর্টার, সাঘাটা গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার গাছাবাড়ী শিউজী প্রসাদ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমিতে অবৈধভাবে একটি সেচ পাম্প স্থাপন করায় ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী। এ নিয়ে ইতোমধ্যে পল্লী বিদ্যুতের বোনারপাড়া জোনাল অফিসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পাঠদান বন্ধ থাকায় বিদ্যালয়টি বর্তমানে একটি অস্থায়ী চালা ও খুঁটির উপর টিকে রয়েছে। এই অব্যবস্থাপনার সুযোগ নিয়ে বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ডকৃত ৭১৮ নং দাগের জমিতে এক ব্যক্তি সেচ পাম্প স্থাপন করেন। প্রথমে স্থানীয় মো. মোজাম্মেল হক নিজ জমির পাশে পাম্পটি বসালেও পরে সেটি কিনে নেন আব্দুল মজিদ নামের অপর এক ব্যক্তি।
অভিযোগে বলা হয়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সঙ্গে যোগসাজশে পাম্পটি বিদ্যালয়ের জমিতে চালু রাখার অনুমতি দেওয়া হয়, এমনকি ভাড়াও আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তবে এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক সোহাগ মিয়া প্রধান ভাড়া আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, “বিদ্যালয়ের জমিতে সেচ পাম্প কীভাবে স্থাপন হলো, সে বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।”
সেচ পাম্পের মালিক আব্দুল মজিদ বলেন, “আমি পাম্পটি বৈধভাবে ক্রয় করেছি। জমির মালিকানা নিয়ে সমস্যার সমাধান হলে পাম্পটি অন্যত্র সরিয়ে নেব।”
বিষয়টি নিয়ে বোনারপাড়া পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. জালাল উদ্দিন বলেন, “পাম্পটি আগে অন্যত্র ছিল। সেটি সরিয়ে বিদ্যালয়ের জমিতে বসানো সম্পূর্ণ বেআইনি। অভিযোগ পেয়েছি, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহীশ শাফি বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামে থাকা জমিতে ব্যক্তিগত ব্যবসা পরিচালনা আইনবিরুদ্ধ। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় এলাকাবাসী বিদ্যালয়ের জমি পুনরুদ্ধার ও স্থায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
Reporter Name 


















