০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাঘাটায় যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু, আত্মহত্যা না হত্যা?

  • Reporter Name
  • ০৩:২১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ২২৭

স্টাফ রিপোর্টার (সাঘাটা) গাইবান্ধা: গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের ঝারাবর্ষা গ্রামে মেহেদী হাসান (২১) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পরিবারের লোকজনের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা।

মেহেদী হাসান ওই গ্রামের মৃত এনামুল হকের দ্বিতীয় ছেলে। তার মরদেহ ১৩ অক্টোবর নিজ ঘরে আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে স্থানীয়দের খবর পেয়ে সাঘাটা থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে পাঠায়।

সন্দেহ করছে পরিবার

মেহেদীর চাচা জানান, “মেহেদী কিছু খারাপ ছেলের সঙ্গে মিশত এবং মাঝে মাঝে নেশাও করত। আমার সন্দেহ, ওর বন্ধুরাই কোনোভাবে ওকে মেরে আত্মহত্যা বলে সাজিয়ে দিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “ও এমন কাজ করতে পারে না। ওর কোনো সমস্যাও ছিল না।”

পুলিশ বলছে কী?

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ বাদশাহ আলম বলেন, “আমরা ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। আমরা ইতোমধ্যে মেহেদীর বন্ধুদের খুঁজে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছি।”

এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া

ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অনেকে বলছেন, মাদকাসক্তির কারণে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। তারা দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে শাস্তির দাবি জানান।

পরিবার চায় বিচার

মেহেদীর পরিবারের দাবি, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে যদি এটি হত্যা হয়ে থাকে, তাহলে যেন দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তি দেওয়া হয়।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সাঘাটায় যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু, আত্মহত্যা না হত্যা?

০৩:২১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার (সাঘাটা) গাইবান্ধা: গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের ঝারাবর্ষা গ্রামে মেহেদী হাসান (২১) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পরিবারের লোকজনের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা।

মেহেদী হাসান ওই গ্রামের মৃত এনামুল হকের দ্বিতীয় ছেলে। তার মরদেহ ১৩ অক্টোবর নিজ ঘরে আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে স্থানীয়দের খবর পেয়ে সাঘাটা থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে পাঠায়।

সন্দেহ করছে পরিবার

মেহেদীর চাচা জানান, “মেহেদী কিছু খারাপ ছেলের সঙ্গে মিশত এবং মাঝে মাঝে নেশাও করত। আমার সন্দেহ, ওর বন্ধুরাই কোনোভাবে ওকে মেরে আত্মহত্যা বলে সাজিয়ে দিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “ও এমন কাজ করতে পারে না। ওর কোনো সমস্যাও ছিল না।”

পুলিশ বলছে কী?

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ বাদশাহ আলম বলেন, “আমরা ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। আমরা ইতোমধ্যে মেহেদীর বন্ধুদের খুঁজে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছি।”

এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া

ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অনেকে বলছেন, মাদকাসক্তির কারণে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। তারা দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে শাস্তির দাবি জানান।

পরিবার চায় বিচার

মেহেদীর পরিবারের দাবি, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে যদি এটি হত্যা হয়ে থাকে, তাহলে যেন দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তি দেওয়া হয়।