০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাঘাটায় ২৫ বছর পর অনুষ্ঠিত হলো ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন

  • Reporter Name
  • ১০:৩২:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ১০০

সুলতান আহম্মেদ, স্টাফ রিপোর্টার (সাঘাটা) গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় দীর্ঘ ২৫ বছর পর অনুষ্ঠিত হলো ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন (রেজিঃ নং- রাজ ১৯৮৯/২০০০ ইং)। শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে সাঘাটা বালিকা বিদ্যালয় এন্ড কলেজ কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ চলে। মোট ৬৮৩ জন ভোটারের মধ্যে ৫৭৫ জন ভোটার স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট প্রদান করেন।

নির্বাচনে ৯টি পদের বিপরীতে মনোনয়নপত্র বিক্রি করা হয়। এর মধ্যে ৪টি পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। বাকি ৫টি পদের জন্য ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোটগ্রহণের জন্য স্থাপন করা হয় তিনটি বুথ।

নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করেন থানা পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা। এছাড়া সাঘাটা উপজেলার দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকেও ভোটকেন্দ্র এলাকায় টহল ও মহড়া দিতে দেখা যায়।

নির্বাচন শেষে বিকেল ৫টায় ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন (ভারপ্রাপ্ত)। এতে সভাপতি পদে রেজাউল করিম ২৯৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রঞ্জু মণ্ডল পান ২৭০ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে সাগর কুমার ৩০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন, যেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী মজিবর রহমান পান ২৫০ ভোট।

নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীরা ফলাফল ঘোষণার পর ব্যান্ডপার্টি সহকারে আনন্দ মিছিল করে বাজার প্রদক্ষিণ করেন এবং আনন্দ-উল্লাসে অংশ নেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সাঘাটায় ২৫ বছর পর অনুষ্ঠিত হলো ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন

১০:৩২:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

সুলতান আহম্মেদ, স্টাফ রিপোর্টার (সাঘাটা) গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় দীর্ঘ ২৫ বছর পর অনুষ্ঠিত হলো ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন (রেজিঃ নং- রাজ ১৯৮৯/২০০০ ইং)। শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে সাঘাটা বালিকা বিদ্যালয় এন্ড কলেজ কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ চলে। মোট ৬৮৩ জন ভোটারের মধ্যে ৫৭৫ জন ভোটার স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট প্রদান করেন।

নির্বাচনে ৯টি পদের বিপরীতে মনোনয়নপত্র বিক্রি করা হয়। এর মধ্যে ৪টি পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। বাকি ৫টি পদের জন্য ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোটগ্রহণের জন্য স্থাপন করা হয় তিনটি বুথ।

নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করেন থানা পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা। এছাড়া সাঘাটা উপজেলার দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকেও ভোটকেন্দ্র এলাকায় টহল ও মহড়া দিতে দেখা যায়।

নির্বাচন শেষে বিকেল ৫টায় ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন (ভারপ্রাপ্ত)। এতে সভাপতি পদে রেজাউল করিম ২৯৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রঞ্জু মণ্ডল পান ২৭০ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে সাগর কুমার ৩০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন, যেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী মজিবর রহমান পান ২৫০ ভোট।

নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীরা ফলাফল ঘোষণার পর ব্যান্ডপার্টি সহকারে আনন্দ মিছিল করে বাজার প্রদক্ষিণ করেন এবং আনন্দ-উল্লাসে অংশ নেন।