১২:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ায় ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে এনে এক ব্যক্তিকে কু/পি/য়ে হ/ত্যা

  • Reporter Name
  • ০৩:৪৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪২০

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ায় ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে এনে জহুরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক এক ব্যক্তিকে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গত সোমবার রাতে দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে ধানক্ষেতে ফেলে রেখে যায়। বগুড়া সদর উপজেলার হাজরাদীঘি গ্রামে এ নৃশংস খুনের ঘটনা ঘটে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে পুলিশ গ্রামের ওই ধানক্ষেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।

নিহত জহুরুল ইসলাম ওই এলাকায় দীর্ঘদিন শ্বশুরবাড়িতেই বসবাস করে আসছিলেন এবং তিনি পেশায় বেকারি সামগ্রী পরিবহনের ভ্যান চালাতেন। বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর এতথ্য নিশ্চিত করেন। জানা যায়, গত সোমবার রাত ১১টার দিকে কে বা কারা মোবাইলে ফোন করে জহুরুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন ভোরে স্থানীয়রা ধানক্ষেতে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জহুরুল ইসলাম ছোটবেলা থেকে হাজরাদীঘি গ্রামে মামার বাড়িতেই বড় হয়েছেন। তার মামাতো বোনকে বিয়ে করে সেখানেই বসবাস করতেন। তবে পরকীয়া সংক্রান্ত ঘটনার জের ধরে হত্যাকান্ড সংঘটিত হতে পারে বলে স্থানীয়দের ধারণা।

বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর বলেন, নিহতের মাথায় একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে কী কারণে এ হত্যাকান্ড তা এখনও জানা যায়নি। জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ শুরু হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বগুড়ায় ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে এনে এক ব্যক্তিকে কু/পি/য়ে হ/ত্যা

০৩:৪৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ায় ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে এনে জহুরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক এক ব্যক্তিকে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গত সোমবার রাতে দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে ধানক্ষেতে ফেলে রেখে যায়। বগুড়া সদর উপজেলার হাজরাদীঘি গ্রামে এ নৃশংস খুনের ঘটনা ঘটে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে পুলিশ গ্রামের ওই ধানক্ষেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।

নিহত জহুরুল ইসলাম ওই এলাকায় দীর্ঘদিন শ্বশুরবাড়িতেই বসবাস করে আসছিলেন এবং তিনি পেশায় বেকারি সামগ্রী পরিবহনের ভ্যান চালাতেন। বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর এতথ্য নিশ্চিত করেন। জানা যায়, গত সোমবার রাত ১১টার দিকে কে বা কারা মোবাইলে ফোন করে জহুরুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন ভোরে স্থানীয়রা ধানক্ষেতে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জহুরুল ইসলাম ছোটবেলা থেকে হাজরাদীঘি গ্রামে মামার বাড়িতেই বড় হয়েছেন। তার মামাতো বোনকে বিয়ে করে সেখানেই বসবাস করতেন। তবে পরকীয়া সংক্রান্ত ঘটনার জের ধরে হত্যাকান্ড সংঘটিত হতে পারে বলে স্থানীয়দের ধারণা।

বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর বলেন, নিহতের মাথায় একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে কী কারণে এ হত্যাকান্ড তা এখনও জানা যায়নি। জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ শুরু হয়েছে।