সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজের সামনে রেললাইনের পাশ ঘেঁষে গড়ে ওঠা একাধিক অবৈধ স্থাপনার কারণে চরম ঝুঁকিতে পড়েছে কলেজের হাজারো শিক্ষার্থী। রেললাইন ঘেঁষে অবৈধ এসব স্থাপনা গড়ে ওঠায় ট্রেন চলাচল স্পষ্ট দেখা যায় না। ফলে প্রতিদিন এই পথ ব্যবহারকারী শিক্ষার্থীদের যাতায়াত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। প্রানহানীর মত ঘটনাও ঘটেছে একাধিক।
এই রেলপথ দিয়ে সান্তাহার-বোনারপাড়া রুটে প্রতিদিন ১৮টি ট্রেন চলাচল করে। অন্যদিকে,কলেজে যাতায়াতের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীকে রেললাইন পারাপার হতে হয়। অথচ এখানে নেই কোনো স্থায়ী রেলগেট বা পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা। অবৈধ এসব স্থাপনার কারণে দৃষ্টিসীমা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা জানান, কলেজের সামনে রেললাইন ঘেঁষে যেসব অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, সেগুলোর কারণে ট্রেন আসছে কিনা তা বোঝা যায় না। অতীতেও এখানে একাধিক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ঘটেছে। তারা বলেন,আমাদের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এবং রেলওয়ে বিভাগের কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারীর সহযোগিতায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দাবি জানিয়েছেন সাধারন শিক্ষার্থীরা।”
সরকারি আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহফুজুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে এই অরক্ষিত রেলগেট পার হতে গিয়ে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব হোসাইন মোস্তাকিম ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ হারান। এই রেললাইনে একাধিক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করলেও দৃশ্যমান কোনো সমাধান হচ্ছে না।
বাংলাদেশ রেলওয়ে বগুড়ার সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী নারায়ণ প্রসাদ সরকার বলেন, “এই দোকান বা স্থাপনাগুলো সম্পুর্ন অবৈধ। অবৈধ দোকানপাট গুলোর কারনে দুর্ঘটনার আশংকা থাকে। আমরা মোটেও এগুলো সমর্থন করি না। প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় জোর করে নানা অজুহাতে তারা রেল লাইন ঘেষে দোকান তৈরি করছে। আমরা একাধিকবার বাধা দিয়েছি। উচ্ছেদ করেছি,তারা কিছুদিন পর আবারো দোকান নির্মান করে ব্যবসা করে যাচ্ছে।
Reporter Name 


















