০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইউপি চেয়ারম্যান থেকে প্রতিমন্ত্রী, মীর শাহে আলমের উত্থানে শিবগঞ্জে উৎসব

  • Reporter Name
  • ০৩:০৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২৮

স্টাফ রিপোর্টার: তৃণমূল রাজনীতি থেকে জাতীয় মন্ত্রিসভা—দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর অবশেষে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মীর শাহে আলম। মঙ্গলবার তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তাঁর এ অন্তর্ভুক্তিকে কেন্দ্র করে শিবগঞ্জ উপজেলা ও বগুড়া জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, প্রায় ৩৫ বছর পর বগুড়া জেলা থেকে কেউ মন্ত্রিসভায় স্থান পেলেন। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মীর শাহে আলম। তিনি ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা শাহাদুতজ্জামান পান ৯৩ হাজার ৫৮৪ ভোট।

সূত্র জানায়, তাঁকে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন লোকাল গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট (এলজিইডি)-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়ন ও গ্রামীণ সড়ক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ এ দপ্তরের দায়িত্ব পাওয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

মীর শাহে আলমের রাজনৈতিক উত্থান শুরু তৃণমূল থেকে। ১৯৯৭ সালে মাত্র ২৩ বছর বয়সে ছাত্রদলের নেতৃত্বে থাকা অবস্থায় তিনি আটমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে ২০০৯ সালে শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক। তাঁর স্ত্রী লাবনী আক্তার একজন গৃহিণী।

প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার খবরে শিবগঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় আনন্দ-উৎসব শুরু হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ মিষ্টি বিতরণ, আনন্দ মিছিল ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে তাঁদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন নেতার মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। এখন দেখার বিষয়, উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় মীর শাহে আলম তাঁর নতুন দায়িত্বে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ইউপি চেয়ারম্যান থেকে প্রতিমন্ত্রী, মীর শাহে আলমের উত্থানে শিবগঞ্জে উৎসব

০৩:০৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: তৃণমূল রাজনীতি থেকে জাতীয় মন্ত্রিসভা—দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর অবশেষে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মীর শাহে আলম। মঙ্গলবার তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তাঁর এ অন্তর্ভুক্তিকে কেন্দ্র করে শিবগঞ্জ উপজেলা ও বগুড়া জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, প্রায় ৩৫ বছর পর বগুড়া জেলা থেকে কেউ মন্ত্রিসভায় স্থান পেলেন। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মীর শাহে আলম। তিনি ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা শাহাদুতজ্জামান পান ৯৩ হাজার ৫৮৪ ভোট।

সূত্র জানায়, তাঁকে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন লোকাল গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট (এলজিইডি)-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়ন ও গ্রামীণ সড়ক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ এ দপ্তরের দায়িত্ব পাওয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

মীর শাহে আলমের রাজনৈতিক উত্থান শুরু তৃণমূল থেকে। ১৯৯৭ সালে মাত্র ২৩ বছর বয়সে ছাত্রদলের নেতৃত্বে থাকা অবস্থায় তিনি আটমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে ২০০৯ সালে শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক। তাঁর স্ত্রী লাবনী আক্তার একজন গৃহিণী।

প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার খবরে শিবগঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় আনন্দ-উৎসব শুরু হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ মিষ্টি বিতরণ, আনন্দ মিছিল ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে তাঁদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন নেতার মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। এখন দেখার বিষয়, উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় মীর শাহে আলম তাঁর নতুন দায়িত্বে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।