০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ার সাতমাথায় ড্রেন খননে মিলল ৩৩৪টি এসএমজির কার্তুজ

  • Reporter Name
  • ১১:১৮:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬৯

এম আব্দুর রাজ্জাক, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: বগুড়া শহরের সাতমাথা এলাকায় ড্রেন সংস্কারের কাজ করতে গিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩৩৪টি এসএমজির কার্তুজ উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ।

রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শহরের জিলা স্কুলের সামনে ড্রেন নির্মাণকাজের সময় মাটির প্রায় ৫ থেকে ৬ ফুট গভীরে একটি লাল ব্যাগ দেখতে পান শ্রমিকরা। ব্যাগটি খুলে এর ভেতরে বিপুলসংখ্যক কার্তুজ পাওয়া যায়।

বিষয়টি জানাজানি হলে খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পরে বগুড়া সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক ও উপস্থিত লোকজনের সামনে কার্তুজগুলো গণনা করে জব্দ করে থানার হেফাজতে নেয়।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধার করা কার্তুজগুলোর কয়েকটি নষ্ট ও ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক পরীক্ষায় এগুলো মুক্তিযুদ্ধের সময়কার কার্তুজ নয় বলে ধারণা করা হয়েছে।

কার্তুজগুলো সেখানে কীভাবে এলো এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত—তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বগুড়ার সাতমাথায় ড্রেন খননে মিলল ৩৩৪টি এসএমজির কার্তুজ

১১:১৮:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

এম আব্দুর রাজ্জাক, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: বগুড়া শহরের সাতমাথা এলাকায় ড্রেন সংস্কারের কাজ করতে গিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩৩৪টি এসএমজির কার্তুজ উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ।

রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শহরের জিলা স্কুলের সামনে ড্রেন নির্মাণকাজের সময় মাটির প্রায় ৫ থেকে ৬ ফুট গভীরে একটি লাল ব্যাগ দেখতে পান শ্রমিকরা। ব্যাগটি খুলে এর ভেতরে বিপুলসংখ্যক কার্তুজ পাওয়া যায়।

বিষয়টি জানাজানি হলে খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পরে বগুড়া সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক ও উপস্থিত লোকজনের সামনে কার্তুজগুলো গণনা করে জব্দ করে থানার হেফাজতে নেয়।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধার করা কার্তুজগুলোর কয়েকটি নষ্ট ও ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক পরীক্ষায় এগুলো মুক্তিযুদ্ধের সময়কার কার্তুজ নয় বলে ধারণা করা হয়েছে।

কার্তুজগুলো সেখানে কীভাবে এলো এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত—তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।