০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নলডাঙ্গা মহিলা কলেজেঃ ১ শিক্ষার্থীর জন্য ১৫ শিক্ষক, সেই শিক্ষার্থীও ফেল!

  • Reporter Name
  • ১২:৩৯:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • ১০২

বায়েজীদ, জেলা প্রতিনিধি, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা মহিলা কলেজে ১৫ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছে। গত ২০২২ সালে মাত্র একজন ছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করে। গত বুধবারের এর ফলাফলে এই শিক্ষার্থী ফেল করেছে । যার ফলে ওই কলেজটি অকৃতকার্য ঘোষণা করেছে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড।
বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে নলডাঙ্গা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আমিনুল ইসলাম। ফেল করা ছাত্রীটি নলডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছিলো।
তিনি বলেন, কলেজটি গত ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠা হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে ১৫ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে একাডেমিক স্বীকৃতি পেয়েছে। এখনও এমপিও ভুক্ত হয়নি। কলেজ প্রতিষ্ঠা থেকে বিগত বছরগুলোতে ভালো ফলাফল হয়। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক দ্বন্দ্ব ও করোনাকালীন সময়ে কলেজটির দুই বছর কার্যক্রম বন্ধ ছিলো। এরপর থেকে নিয়মিত কলেজ পরিচালনা করা হচ্ছে। আশা করি আগামী বছরে আমরা ভালো ফলাফল করবো।
এ বিষয়ে নলডাঙ্গা মহিলা কলেজের গভর্নিংবডির সভাপতি আহম্মদ আলী বলেন, গত ২০২২ সালে এইচএসসিতে একজন ছাত্রী পরীক্ষা দিয়ে ফেল করেছে। এটি খুবই দুঃখজনক। বর্তমানে কলেজে কার্যক্রম যথারীতি চলছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নলডাঙ্গা মহিলা কলেজেঃ ১ শিক্ষার্থীর জন্য ১৫ শিক্ষক, সেই শিক্ষার্থীও ফেল!

১২:৩৯:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

বায়েজীদ, জেলা প্রতিনিধি, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা মহিলা কলেজে ১৫ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছে। গত ২০২২ সালে মাত্র একজন ছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করে। গত বুধবারের এর ফলাফলে এই শিক্ষার্থী ফেল করেছে । যার ফলে ওই কলেজটি অকৃতকার্য ঘোষণা করেছে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড।
বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে নলডাঙ্গা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আমিনুল ইসলাম। ফেল করা ছাত্রীটি নলডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছিলো।
তিনি বলেন, কলেজটি গত ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠা হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে ১৫ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে একাডেমিক স্বীকৃতি পেয়েছে। এখনও এমপিও ভুক্ত হয়নি। কলেজ প্রতিষ্ঠা থেকে বিগত বছরগুলোতে ভালো ফলাফল হয়। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক দ্বন্দ্ব ও করোনাকালীন সময়ে কলেজটির দুই বছর কার্যক্রম বন্ধ ছিলো। এরপর থেকে নিয়মিত কলেজ পরিচালনা করা হচ্ছে। আশা করি আগামী বছরে আমরা ভালো ফলাফল করবো।
এ বিষয়ে নলডাঙ্গা মহিলা কলেজের গভর্নিংবডির সভাপতি আহম্মদ আলী বলেন, গত ২০২২ সালে এইচএসসিতে একজন ছাত্রী পরীক্ষা দিয়ে ফেল করেছে। এটি খুবই দুঃখজনক। বর্তমানে কলেজে কার্যক্রম যথারীতি চলছে।