০৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৈয়দ আহম্মদ কলেজে বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসব

  • Reporter Name
  • ০১:৪২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • ৫৪৭

মিজানুর রহমান রনি : বসন্তের নানা রঙে রাঙিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা নিজেদের বসন্তের সাজে প্রকাশ করেছে। তার সাথে মনের মাধুরী আর হাতের কারুকাজ মিশ্রিত বর্ণিল পিঠার ঘ্রান ও মিষ্টতায় পিঠার পসরা নিয়ে সাজানো হয়েছে কলেজ মাঠের স্টলগুলোতে।

মঙ্গলবার ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনব্যাপি নানা ধরণের পিঠা উৎসবের আয়োজন করেন সৈয়দ আহম্মদ কলেজ। নামমাত্র দামে বাহারি নকশা আর স্বাদের পিঠা দিয়ে রসনা তৃপ্তির সুযোগ। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত পিঠা উৎসবে ছিল ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। বাঙালি ঐতিহ্যের ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা, নকশা, পাকন, ফুল, দুধপুলি ও চন্দ্রপুলিসহ প্রায় অর্ধশতাধিক পিঠার পসরা সাজিয়ে বসেন কলেজের শিক্ষার্থীরা। ছাত্রীদের বাসন্তী সাজে কলেজ ক্যাম্পাস বর্ণিল হয়ে উঠে। তার সাথে আবহমান বাংলার চিরায়ত রূপকে তুলে ধরতে আয়োজন করা পিঠা উৎসবের বিভিন্ন স্টল। এছাড়াও পিঠা উৎসবে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ভিড় করেন। পিঠা উৎসবে আসা বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে কথা বললে তারা জানান, বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে আছে পিঠা। যখনই পিঠা- পায়েস, পুলি কথা উঠে তখনি যেন শীত ঋতুটি আমাদের চোখে ও মনে ভেসে ওঠে। এ ধরণের পিঠা উৎসবের আয়োজন প্রতিনিয়ত করা উচিত। তবেই আমরা বাঙ্গালির ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারবো।

পিঠা উৎসব বিষয়ে সৈয়দ আহম্মদ কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সাইদুজ্জামান বলেন, বাঙালির চিরাচরিত ঐতিহ্য বর্তমান প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতেই পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী বছরে আরো বড় পরিসরে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সৈয়দ আহম্মদ কলেজে বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসব

০১:৪২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

মিজানুর রহমান রনি : বসন্তের নানা রঙে রাঙিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা নিজেদের বসন্তের সাজে প্রকাশ করেছে। তার সাথে মনের মাধুরী আর হাতের কারুকাজ মিশ্রিত বর্ণিল পিঠার ঘ্রান ও মিষ্টতায় পিঠার পসরা নিয়ে সাজানো হয়েছে কলেজ মাঠের স্টলগুলোতে।

মঙ্গলবার ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনব্যাপি নানা ধরণের পিঠা উৎসবের আয়োজন করেন সৈয়দ আহম্মদ কলেজ। নামমাত্র দামে বাহারি নকশা আর স্বাদের পিঠা দিয়ে রসনা তৃপ্তির সুযোগ। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত পিঠা উৎসবে ছিল ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। বাঙালি ঐতিহ্যের ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা, নকশা, পাকন, ফুল, দুধপুলি ও চন্দ্রপুলিসহ প্রায় অর্ধশতাধিক পিঠার পসরা সাজিয়ে বসেন কলেজের শিক্ষার্থীরা। ছাত্রীদের বাসন্তী সাজে কলেজ ক্যাম্পাস বর্ণিল হয়ে উঠে। তার সাথে আবহমান বাংলার চিরায়ত রূপকে তুলে ধরতে আয়োজন করা পিঠা উৎসবের বিভিন্ন স্টল। এছাড়াও পিঠা উৎসবে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ভিড় করেন। পিঠা উৎসবে আসা বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে কথা বললে তারা জানান, বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে আছে পিঠা। যখনই পিঠা- পায়েস, পুলি কথা উঠে তখনি যেন শীত ঋতুটি আমাদের চোখে ও মনে ভেসে ওঠে। এ ধরণের পিঠা উৎসবের আয়োজন প্রতিনিয়ত করা উচিত। তবেই আমরা বাঙ্গালির ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারবো।

পিঠা উৎসব বিষয়ে সৈয়দ আহম্মদ কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সাইদুজ্জামান বলেন, বাঙালির চিরাচরিত ঐতিহ্য বর্তমান প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতেই পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী বছরে আরো বড় পরিসরে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হবে।