০৩:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সারিয়াকান্দিতে নিখোঁজের ৯দিন পর স্কুলছাত্রের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধারঃ ২জন গ্রেফতার

  • Reporter Name
  • ০১:৫৩:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪
  • ৪৬৬

মুহাম্মাদ আবু মুসা ও মিলন, সারিয়াকান্দিঃ বগুড়ায় নিখোঁজ হওয়ার ৯দিন পর ৮ম শ্রেনীতে পড়ুয়া নাসিম (১৪) নামের এক স্কুলছাত্র’র বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যার সাথে জড়িত দুইজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়ে দিয়েছে। নিহত নাসিম জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার ফুলবাড়ি গমিরউদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের ৮ম শ্রেনীর ছাত্র ছিল এবং ফুলবাড়ী পশ্চিমপাড়ার ওয়াজেল আলীর ছেলে।
জানা গেছে, নিহত নাসিম গত ২৫ফেব্রয়ারী/২৪ অর্থাৎ শবে বরাতের রাত ৮টার পর থেকে নিখোঁজ হয়। অনেক খোজাখুজির পর তাকে পাওয়া না গেলে পরের দিন ২৬ফেব্রয়ারী সারিয়াকান্দি থানায় নাসিমের পরিবার একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এর পর পুলিশ নিখোঁজের ঘটনায় বিভিন্নভাবে তদন্ত শুরু করেন। অবশেষে সহকারী পুলিশ সুপার (গাবতলী সার্কেল) নিয়াজ মেহেদীর নেতৃত্বে গাবতলী ও সারিয়াকান্দি থানার পুলিশ একসাথে কাজ করেন। তাদের তদন্তে উঠে আসে নাসিমকে হত্যা করে লাশ বস্তাবন্দী করে মাটি চাপা রাখা হয়। এমন তথ্যের ভিত্তিতে
৪মার্চ/২৪ সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় গাবতলী উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের ইশ্বরপুর গ্রামের রাজমিস্ত্রি রফিকুল ইসলামের বাড়ীর গোয়াল ঘড়ের মেঝেতে মাটি চাপা রাখা বস্তাবন্দি লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। পরে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়ে দেন। এ ঘটনায় নিহত নাসিমের বাবা ওয়াজেল আলী বাদী হয়ে মঙ্গলবার সারিয়াকান্দি থানায় হত্যা মামলার দায়ের করেছেন। অপর দিকে মামলার এক নম্বর আসামি এনামুল হক (১৯) ও দুই নম্বর আসামি ফিরোজ মিয়া (২০) কে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাদেরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আদালতে আবেদন করেছেন পুলিশ।
গাবতলী উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের ইশ্বরপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে এনামুল হক (১৯) এর সাথে নিহত নাসিম একই স্কুলে পড়াশুনা করতো। তারা সম্পর্কে মামাতো ফুফাতো ভাই। রফিকুলের ছেলে এনামুল ও তার সহযোগীরা এই হত্যা কান্ড ঘটিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন ।
এ বিষয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (গাবতলী সার্কেল) নিয়াজ মেহেদীর সাথে কথা বললে তিনি উপরোক্ত তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, মামলার এক ও দুই নং আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার করার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরো জানান, পূর্বের কোন শত্রুতার জের ধরে তাকে হত্যা করতে পারে। সার্বিক বিষয়টি তদন্ত করে খতিয়ে দেখা হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সারিয়াকান্দিতে নিখোঁজের ৯দিন পর স্কুলছাত্রের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধারঃ ২জন গ্রেফতার

০১:৫৩:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪

মুহাম্মাদ আবু মুসা ও মিলন, সারিয়াকান্দিঃ বগুড়ায় নিখোঁজ হওয়ার ৯দিন পর ৮ম শ্রেনীতে পড়ুয়া নাসিম (১৪) নামের এক স্কুলছাত্র’র বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যার সাথে জড়িত দুইজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়ে দিয়েছে। নিহত নাসিম জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার ফুলবাড়ি গমিরউদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের ৮ম শ্রেনীর ছাত্র ছিল এবং ফুলবাড়ী পশ্চিমপাড়ার ওয়াজেল আলীর ছেলে।
জানা গেছে, নিহত নাসিম গত ২৫ফেব্রয়ারী/২৪ অর্থাৎ শবে বরাতের রাত ৮টার পর থেকে নিখোঁজ হয়। অনেক খোজাখুজির পর তাকে পাওয়া না গেলে পরের দিন ২৬ফেব্রয়ারী সারিয়াকান্দি থানায় নাসিমের পরিবার একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এর পর পুলিশ নিখোঁজের ঘটনায় বিভিন্নভাবে তদন্ত শুরু করেন। অবশেষে সহকারী পুলিশ সুপার (গাবতলী সার্কেল) নিয়াজ মেহেদীর নেতৃত্বে গাবতলী ও সারিয়াকান্দি থানার পুলিশ একসাথে কাজ করেন। তাদের তদন্তে উঠে আসে নাসিমকে হত্যা করে লাশ বস্তাবন্দী করে মাটি চাপা রাখা হয়। এমন তথ্যের ভিত্তিতে
৪মার্চ/২৪ সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় গাবতলী উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের ইশ্বরপুর গ্রামের রাজমিস্ত্রি রফিকুল ইসলামের বাড়ীর গোয়াল ঘড়ের মেঝেতে মাটি চাপা রাখা বস্তাবন্দি লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। পরে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়ে দেন। এ ঘটনায় নিহত নাসিমের বাবা ওয়াজেল আলী বাদী হয়ে মঙ্গলবার সারিয়াকান্দি থানায় হত্যা মামলার দায়ের করেছেন। অপর দিকে মামলার এক নম্বর আসামি এনামুল হক (১৯) ও দুই নম্বর আসামি ফিরোজ মিয়া (২০) কে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাদেরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আদালতে আবেদন করেছেন পুলিশ।
গাবতলী উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের ইশ্বরপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে এনামুল হক (১৯) এর সাথে নিহত নাসিম একই স্কুলে পড়াশুনা করতো। তারা সম্পর্কে মামাতো ফুফাতো ভাই। রফিকুলের ছেলে এনামুল ও তার সহযোগীরা এই হত্যা কান্ড ঘটিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন ।
এ বিষয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (গাবতলী সার্কেল) নিয়াজ মেহেদীর সাথে কথা বললে তিনি উপরোক্ত তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, মামলার এক ও দুই নং আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার করার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরো জানান, পূর্বের কোন শত্রুতার জের ধরে তাকে হত্যা করতে পারে। সার্বিক বিষয়টি তদন্ত করে খতিয়ে দেখা হবে।