১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাহালুতে দুই শিশুকে ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টা মামলার আসামি গ্রেফতার

  • Reporter Name
  • ০১:২৮:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫
  • ১৩৬

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ার কাহালুর আড়োলা আবাসন প্রকল্পের ব্যারাকে ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও সমবয়সি অপর শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা মামলার আসামি নূর ইসলাম (৪০) ধরা পড়েছেন। ডিবি ও কাহালু থানা পুলিশ রোববার রাতে উপজেলার পাইকর ইউনিয়নের শাহানাপাড়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে।

সোমবার দুপুরে তাকে বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত দুই দিনের মঞ্জুর করেন।

বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সুমন রঞ্জন সরকার এ তথ্য দিয়েছেন।

পুলিশ ও এজাহার সূত্র জানায়, অভিযুক্ত দিনমজুর নূর ইসলাম বগুড়ার কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়নের আড়োলা আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দা মৃত হবিবর রহমানের ছেলে। গত ১২ মার্চ বেলা ১১টার দিকে প্রতিবেশী দুই শিশু আবাসন প্রকল্পে তাদের বাড়ির সামনে খেলাধুলা করছিল। তাদের কর্মজীবী বাবা ও মা কাজে বাহিরে ছিলেন। এ সুযোগে নুর ইসলাম খাবারের প্রলোভনে দুই শিশুকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর এক শিশুকে ধর্ষণ ও অপর শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়।

এছাড়া এ কথা কাউকে জানালে তাদের হত্যার পর লাশ পায়খানায় ফেলে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়। ধর্ষণের শিকার শিশুর পরদিন রক্তক্ষরণ ও অপরজনের শরীরে জ্বর আসে। এতে শিশু দুটির পরিবার টের পেলে অভিযুক্ত নূর ইসলাম পালিয়ে যান।

ধর্ষণের শিকার শিশুর মা ১৪ মার্চ রাতে কাহালু থানায় নূর ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন। রাত ৩টার দিকে কাহালু থানা পুলিশ নির্যাতনের শিকার দুই শিশুকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করে।

সোমবার দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সুমন রঞ্জন সরকার জানান, মামলার পর থেকে আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান শুরু করা হয়। ডিবি ও কাহালু থানা পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ও গোপনে খবর পেয়ে রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কাহালু উপজেলার পাইকর ইউনিয়নের শাহানাপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বহুল আলোচিত দুই শিশু ধর্ষণ ও ধর্ষণ চেষ্টার আসামি নূর ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও জানান, সোমবার দুপুরে আসামিকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কাহালুতে দুই শিশুকে ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টা মামলার আসামি গ্রেফতার

০১:২৮:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ার কাহালুর আড়োলা আবাসন প্রকল্পের ব্যারাকে ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও সমবয়সি অপর শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা মামলার আসামি নূর ইসলাম (৪০) ধরা পড়েছেন। ডিবি ও কাহালু থানা পুলিশ রোববার রাতে উপজেলার পাইকর ইউনিয়নের শাহানাপাড়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে।

সোমবার দুপুরে তাকে বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত দুই দিনের মঞ্জুর করেন।

বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সুমন রঞ্জন সরকার এ তথ্য দিয়েছেন।

পুলিশ ও এজাহার সূত্র জানায়, অভিযুক্ত দিনমজুর নূর ইসলাম বগুড়ার কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়নের আড়োলা আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দা মৃত হবিবর রহমানের ছেলে। গত ১২ মার্চ বেলা ১১টার দিকে প্রতিবেশী দুই শিশু আবাসন প্রকল্পে তাদের বাড়ির সামনে খেলাধুলা করছিল। তাদের কর্মজীবী বাবা ও মা কাজে বাহিরে ছিলেন। এ সুযোগে নুর ইসলাম খাবারের প্রলোভনে দুই শিশুকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর এক শিশুকে ধর্ষণ ও অপর শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়।

এছাড়া এ কথা কাউকে জানালে তাদের হত্যার পর লাশ পায়খানায় ফেলে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়। ধর্ষণের শিকার শিশুর পরদিন রক্তক্ষরণ ও অপরজনের শরীরে জ্বর আসে। এতে শিশু দুটির পরিবার টের পেলে অভিযুক্ত নূর ইসলাম পালিয়ে যান।

ধর্ষণের শিকার শিশুর মা ১৪ মার্চ রাতে কাহালু থানায় নূর ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন। রাত ৩টার দিকে কাহালু থানা পুলিশ নির্যাতনের শিকার দুই শিশুকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করে।

সোমবার দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সুমন রঞ্জন সরকার জানান, মামলার পর থেকে আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান শুরু করা হয়। ডিবি ও কাহালু থানা পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ও গোপনে খবর পেয়ে রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কাহালু উপজেলার পাইকর ইউনিয়নের শাহানাপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বহুল আলোচিত দুই শিশু ধর্ষণ ও ধর্ষণ চেষ্টার আসামি নূর ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও জানান, সোমবার দুপুরে আসামিকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।