০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাহালুতে ডুয়েল গেজ রেলপথ ও জংশন নির্মাণের পক্ষে বেশীরভাগ জনসাধারণ

  • Reporter Name
  • ০৩:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর ২০২২
  • ৬৯

মুনসুর রহমান তানসেন কাহালু থেকেঃ বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণের জন্য অনেক আগে থেকেই জরিপ চলছে। বেশ কিছুদিন ধরে কাহালুতেও এই জরিপ চলছে। ইতিমধ্যে কাহালু স্টেশনের আশে-পাশে রেলওয়ের জায়গা ও জমি অধিগ্রহনের সম্ভাব্য জায়গায় চিহৃ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। রেলওয়ে জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ করে যারা ব্যবসা-বাণিজ্য করছে সম্প্রতি তাদের সাথে মতবিনিয়ন করেছেন সংশ্লিষ্ট রেল কতৃপক্ষ ও ডেভেলেপমেন্ট এন্ড সেফগার্ড কনসালটেশন লিঃ এর পূর্ণবাসন বিশেষঞ্জ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। মতবিনিময়ের পর থেকে রেলওয়ে জায়গার উপর নির্মিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক/কর্মচারীদের সাক্ষাতকার গ্রহন, কতজন সেখানে জীবিকা নির্বাহ করছেন তাদের তথ্য সংগ্রহ করছেন সংশ্লিষ্ট রেলপথ নির্মাণের সাথে সম্পৃক্তরা। এছাড়াও জমি অধিগ্রহনের জন্য চিহৃ দেওয়া ব্যক্তি মালিকানা সম্পত্তির মালিকের সাক্ষাতকার গ্রহন ও তাদের জমির বর্তমান মুল্য বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করছেন তারা। অনেকে নিশ্চিত হয়েছেন বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় কাহালুতে রেলওয়ে জংশন হচ্ছে। তাছাড়াও অনেকের মতে কাহালুতে রেলওয়ের জায়গাও অনেক বেশী রয়েছে। সেই অনুযায়ি কাহালুতে রেলওয়ে জংশন হলে জংশনের জন্য খুব বেশী জায়গাও অধিগ্রহন করতে হবেনা। বর্তমানে কাহালুতে ডুয়েল গেজ রেলপথ ও জংশন নির্মাণের বিষয়টি এখনো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে। রেলওয়ে জায়গার উপর গড়ে উঠা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা উচ্ছেদ আতঙ্কে ডুয়েল গেজ রেলপথ ও রেলওয়ে জংশন নির্মাণের বিপক্ষে মতামত দিলেও কাহালু উপজেলার বেশীরভাগ জনসাধারণ ডুয়েল গেজ রেলপথ ও রেলওয়ে জংশন নির্মাণের পক্ষে বলে অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মতামত দিয়েছেন। এছাড়াও গত কয়েক দিনে প্রায় ৫০ জন সাধারণ ব্যক্তিকে জিজ্ঞাস করে তাদের মতামত পাওয়া গেছে, তারা সবাই কাহালুতে ডুয়েল গেজ রেলপথ ও রেলওয়ে জংশন নির্মাণের পক্ষে তারা। তবে রেলের জায়গার উপর গড়ে উঠা ব্যবসায়ীরা ভিন্নমত পোষন করে তারা বলেছেন অনেক ব্যবসায়ী পথে বসবে। এদিকে সাধারণ জনগন বলছেন রেলের জায়গা যারা লাইসেন্স করে নিয়েছে তারা লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে অস্থায়ী স্থাপনা না করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ নিজের ক্ষতি নিজেরাই করেছে। রেলের জায়গায় যারা পাকা স্থাপনা নির্মাণ করেছে তাদের কারনে সরকারি এই মেগা প্রকল্প থেকে আমরা বঞ্চিত হতে চায়না। সাধারণ জনগনের মতে কাহালুতে ডুয়েল গেজ রেলপথ ও রেলওয়ে জংশন হলে উত্তরাঞ্চলের মানুষ অনেক উপকৃত হবে। রেলপথে উত্তরাঞ্চলের মানুষ সহজেই রাজধানী ঢাকায় যেতে পারবে। এখন রেলপথে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার মানুষের ১২০ কিলোমিটার ও বগুড়ার মানুষের ১১২ কিলোমিটার বেশী পথ ঘুরে সান্তাহার, নাটোর, ইশ্বরদী হয়ে ঢাকায় যেতে হয়। কাহালুতে ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ হলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের রেলপথে ঢাকায় যেতে প্রায় ১২০ কিলোমিটার পথ কমে আসবে । রেলপথে ঢাকায় যেতে সময় বাঁচবে ৩ ঘন্টা এবং যাতায়াত খরচও হবে অনেকটা কম। যারফলে রেলের জায়গা গড়ে উঠা ব্যবসায়ীরা ছাড়া কাহালুতে রেলওয়ে জংশন ও ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণের পক্ষে আপামর জনসাধারণ অনেকে মন্তব্য করেছেন। রেলওয়ে সিনিয়ার সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আসলাম হোসাইন মোবাইল ফোনে জানান, কাহালুতে ডুয়েল গেছ রেলপথ ও জংশন নির্মাণ হচ্ছে এটা প্রায় নিশ্চিত। তবে কতখানি জায়গার উপর কাঠামো তৈরী হবে সেই নকশা এখনো হয়নি।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কাহালুতে ডুয়েল গেজ রেলপথ ও জংশন নির্মাণের পক্ষে বেশীরভাগ জনসাধারণ

০৩:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর ২০২২

মুনসুর রহমান তানসেন কাহালু থেকেঃ বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণের জন্য অনেক আগে থেকেই জরিপ চলছে। বেশ কিছুদিন ধরে কাহালুতেও এই জরিপ চলছে। ইতিমধ্যে কাহালু স্টেশনের আশে-পাশে রেলওয়ের জায়গা ও জমি অধিগ্রহনের সম্ভাব্য জায়গায় চিহৃ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। রেলওয়ে জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ করে যারা ব্যবসা-বাণিজ্য করছে সম্প্রতি তাদের সাথে মতবিনিয়ন করেছেন সংশ্লিষ্ট রেল কতৃপক্ষ ও ডেভেলেপমেন্ট এন্ড সেফগার্ড কনসালটেশন লিঃ এর পূর্ণবাসন বিশেষঞ্জ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। মতবিনিময়ের পর থেকে রেলওয়ে জায়গার উপর নির্মিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক/কর্মচারীদের সাক্ষাতকার গ্রহন, কতজন সেখানে জীবিকা নির্বাহ করছেন তাদের তথ্য সংগ্রহ করছেন সংশ্লিষ্ট রেলপথ নির্মাণের সাথে সম্পৃক্তরা। এছাড়াও জমি অধিগ্রহনের জন্য চিহৃ দেওয়া ব্যক্তি মালিকানা সম্পত্তির মালিকের সাক্ষাতকার গ্রহন ও তাদের জমির বর্তমান মুল্য বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করছেন তারা। অনেকে নিশ্চিত হয়েছেন বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় কাহালুতে রেলওয়ে জংশন হচ্ছে। তাছাড়াও অনেকের মতে কাহালুতে রেলওয়ের জায়গাও অনেক বেশী রয়েছে। সেই অনুযায়ি কাহালুতে রেলওয়ে জংশন হলে জংশনের জন্য খুব বেশী জায়গাও অধিগ্রহন করতে হবেনা। বর্তমানে কাহালুতে ডুয়েল গেজ রেলপথ ও জংশন নির্মাণের বিষয়টি এখনো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে। রেলওয়ে জায়গার উপর গড়ে উঠা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা উচ্ছেদ আতঙ্কে ডুয়েল গেজ রেলপথ ও রেলওয়ে জংশন নির্মাণের বিপক্ষে মতামত দিলেও কাহালু উপজেলার বেশীরভাগ জনসাধারণ ডুয়েল গেজ রেলপথ ও রেলওয়ে জংশন নির্মাণের পক্ষে বলে অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মতামত দিয়েছেন। এছাড়াও গত কয়েক দিনে প্রায় ৫০ জন সাধারণ ব্যক্তিকে জিজ্ঞাস করে তাদের মতামত পাওয়া গেছে, তারা সবাই কাহালুতে ডুয়েল গেজ রেলপথ ও রেলওয়ে জংশন নির্মাণের পক্ষে তারা। তবে রেলের জায়গার উপর গড়ে উঠা ব্যবসায়ীরা ভিন্নমত পোষন করে তারা বলেছেন অনেক ব্যবসায়ী পথে বসবে। এদিকে সাধারণ জনগন বলছেন রেলের জায়গা যারা লাইসেন্স করে নিয়েছে তারা লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে অস্থায়ী স্থাপনা না করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ নিজের ক্ষতি নিজেরাই করেছে। রেলের জায়গায় যারা পাকা স্থাপনা নির্মাণ করেছে তাদের কারনে সরকারি এই মেগা প্রকল্প থেকে আমরা বঞ্চিত হতে চায়না। সাধারণ জনগনের মতে কাহালুতে ডুয়েল গেজ রেলপথ ও রেলওয়ে জংশন হলে উত্তরাঞ্চলের মানুষ অনেক উপকৃত হবে। রেলপথে উত্তরাঞ্চলের মানুষ সহজেই রাজধানী ঢাকায় যেতে পারবে। এখন রেলপথে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার মানুষের ১২০ কিলোমিটার ও বগুড়ার মানুষের ১১২ কিলোমিটার বেশী পথ ঘুরে সান্তাহার, নাটোর, ইশ্বরদী হয়ে ঢাকায় যেতে হয়। কাহালুতে ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ হলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের রেলপথে ঢাকায় যেতে প্রায় ১২০ কিলোমিটার পথ কমে আসবে । রেলপথে ঢাকায় যেতে সময় বাঁচবে ৩ ঘন্টা এবং যাতায়াত খরচও হবে অনেকটা কম। যারফলে রেলের জায়গা গড়ে উঠা ব্যবসায়ীরা ছাড়া কাহালুতে রেলওয়ে জংশন ও ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণের পক্ষে আপামর জনসাধারণ অনেকে মন্তব্য করেছেন। রেলওয়ে সিনিয়ার সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আসলাম হোসাইন মোবাইল ফোনে জানান, কাহালুতে ডুয়েল গেছ রেলপথ ও জংশন নির্মাণ হচ্ছে এটা প্রায় নিশ্চিত। তবে কতখানি জায়গার উপর কাঠামো তৈরী হবে সেই নকশা এখনো হয়নি।