১২:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাবতলীতে জাল দলিল করার অভিযোগে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

  • Reporter Name
  • ০৪:০৪:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • ৫৭

মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ বগুড়ার গাবতলীতে জাল দলিল করার অভিযোগে রেজাউল করিম জিন্নু’র (৫২) নামের এক ব্যক্তির ৭হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। গতকাল শুনানীন্তে স্বাক্ষ্য প্রমানে আদালতের নির্বাহী ম্যাজিট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ রওনক জাহান এ আদেশ দেন। জালিয়াতি করা রেজাউল করিম জিন্নু উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের সাবেকপাড়া গ্রামের মৃত আবুল খায়ের আকন্দের ছেলে। জানা যায়, রেজাউল করিম জিন্নু ২০১০ সালে তার চাচা আজাদ ফেরদৌস এর ৪৪শতক জমি জাল দলিল করে খাজনা খারিজ করে নেন। এর প্রেক্ষিতে তার চাচা আজাদ ফেরদৌস কিছু দিন আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ রওনক জাহান এর নিকট লিখিত অভিযোগ দেন। বিষয়টি ইউএনও অফিসের মাধ্যমে সাব রেজিস্ট্রারী অফিসে খোঁজ নিলে ওই ৪৪শতক জমি দলিল করার কোন অস্তিত্ব নেই। ফলে রেজাউল করিম জিন্নু কর্তৃক জাল দলিল তৈরী বা সৃষ্টি করার যতেষ্ট প্রমান পাওয়া যায়। এ বিষয়ে ইউএনও’র অফিস সহকারী মামুনুর রশিদ মামুন এর সাথে কথা বললে তিনি উপরোক্ত তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জাল দলিল সৃষ্টিকারী রেজাউল করিম জিন্নু’র সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমার অন্যান্য চাচাদের কারনে এমন ঘটনা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

গাবতলীতে জাল দলিল করার অভিযোগে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

০৪:০৪:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২

মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ বগুড়ার গাবতলীতে জাল দলিল করার অভিযোগে রেজাউল করিম জিন্নু’র (৫২) নামের এক ব্যক্তির ৭হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। গতকাল শুনানীন্তে স্বাক্ষ্য প্রমানে আদালতের নির্বাহী ম্যাজিট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ রওনক জাহান এ আদেশ দেন। জালিয়াতি করা রেজাউল করিম জিন্নু উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের সাবেকপাড়া গ্রামের মৃত আবুল খায়ের আকন্দের ছেলে। জানা যায়, রেজাউল করিম জিন্নু ২০১০ সালে তার চাচা আজাদ ফেরদৌস এর ৪৪শতক জমি জাল দলিল করে খাজনা খারিজ করে নেন। এর প্রেক্ষিতে তার চাচা আজাদ ফেরদৌস কিছু দিন আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ রওনক জাহান এর নিকট লিখিত অভিযোগ দেন। বিষয়টি ইউএনও অফিসের মাধ্যমে সাব রেজিস্ট্রারী অফিসে খোঁজ নিলে ওই ৪৪শতক জমি দলিল করার কোন অস্তিত্ব নেই। ফলে রেজাউল করিম জিন্নু কর্তৃক জাল দলিল তৈরী বা সৃষ্টি করার যতেষ্ট প্রমান পাওয়া যায়। এ বিষয়ে ইউএনও’র অফিস সহকারী মামুনুর রশিদ মামুন এর সাথে কথা বললে তিনি উপরোক্ত তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জাল দলিল সৃষ্টিকারী রেজাউল করিম জিন্নু’র সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমার অন্যান্য চাচাদের কারনে এমন ঘটনা হয়েছে।